আয়ুর্বেদ নামকরনে স্বার্থকতা(The justification of the nomenclature of Ayurved)

আয়ুর্বেদ নামকরনে স্বার্থকতা(The justification of the nomenclature of Ayurved)

আয়ুর্বেদ নামকরনে স্বার্থকতা(The justification of the nomenclature of Ayurved)

প্রত্যেক ধর্মেরই ধর্মগ্রন্থ রয়েছে এবং ধর্মগ্রন্থগুলোতে রোগ ব্যাধির প্রতিরোধ, রোগ নিরূপণ ও প্রশমনের কথা উল্লেখ আছে। যেমন ইসলাম ধর্মের মূল ধর্মগ্রন্থ “আল কোরান”, হিন্দু ধর্মের মূল ধর্মগ্রন্থ ‘বেদ”। এ বেদ আবার  চার ভাগে বিভক্ত। যথাঃ ঋকবেদ, সামবেদ, ঋজুবেদ ও অথর্ববেদ। এ চারপ্রকার বেদের মধ্যে অথর্ববেদ হতে আয়ুর্বেদের সৃষ্টি। অর্থাৎ আয়ুর্বেদ অথর্ববেদের সৃষ্টি বলে আয়ুর্বেদবিদগন উপদেশ দিয়েছেন। যেহেতু অথর্ববেদ বিহিত দান, স্বস্ত্যয়ন , বলি , মঙ্গল,হোম, নিয়ম,  প্রায়শ্চিত্য, উপশম ও মন্ত্রাদির দ্বারা চিকিতসার ব্যবস্থা র‍য়েছে এবং আয়ুর হিতের জন্য উপদেশ আছে, অতএব অথর্ববেদে  আয়ুর হিতার্থ স্বস্ত্যয়নাদি চিকিৎসা কথিত হয়েছে বিধায় অথর্ববেদ হতে আয়ুর্বেদের উৎপত্তি হয়েছে বলে ঋষিগন  উপদেশ করেছেন। এ বেদ হতে আয়ুর বোধ হয় অর্থাৎ ঞ্জান হয় বলে এর নাম আয়ুর্বেদ।

প্রশ্ন আসতে পারে কিভাবে আয়ুর বোধ হয়?

উত্তরঃ আয়ুর স্বরূপ , লক্ষণ দ্বারা ,সুখ-দুঃখ দ্বারা, হিত-অহিত দ্বারা   এবং প্রমাণ ও অপ্রমাণ দ্বারা আয়ুর বোধ জন্মায় বলে এড় নাম আয়ুর্বেদ।

Share this post

Leave a Reply

Your email address will not be published.