জীবদেহ গঠন কিরূপে হয়

জীবদেহ গঠন কিরূপে হয়

জীবদেহ গঠন কিরূপে হয়? জীবদেহ কতগুলি জৈব অর্থাৎ অর্গ্যানিক এবং অজৈব অর্থাৎ ইন অর্গ্যানিক এই উভয় প্রকার  পদার্থ দ্বারা  গঠিত ।জীব শরীর পোড়াইবার পর দেখা যায় যে , জলীয়াংশ ও  জান্তব পদার্থগুলি ধোঁয়ার আকারে শূন্যে মিলাইয়া যায় এবং  ধাতব পদার্থগুলি জীব শরীরে   ঔষধরূপে  ব্যবহার করা হয়। কিন্তু এইখানেই একটি  বুঝিবার কথা আছে। জান্তব  অর্থাৎ  অর্গানিক পদার্থস্ক্ল, দেহস্থিত ইন-  অর্গানিক পদার্থসকল, দেহস্থিত ইন অর্গানিক  ধাতব পদার্থের সাহায্য ব্যতীত জীবদেহে কোন কাজ করিতে পারেনা। জৈব এবং অজৈব এঈ উভয় প্রকার পদার্থের সাথে সাহায্যে প্রকৃতিগত  রাসায়নিক প্রক্রিয়ায় অস্থি, মজ্জা , মাংস  ইত্যাদি নির্গত হইয়া আমাদের দেহ পুষ্ট, বর্ধিত ও রক্ষা করিয়া চলিতেছে । দেহসংস্থায় এই দুই প্রকার  পদার্থের  যথাযোগ্য অনুপাতের ফলেই  আমাদের দেহে স্বাস্থ্য বজায় থাকে।জীবদেহে জান্তবপদার্থ গুলির কখনও কোন অভাব হয়না। কেবল মধ্যে মধ্যে  অজৈব বা ধাতব পদার্থ গুলির অভাব হয়, জান্তব পদার্থগুলিও তথায় নিজ নিজ কার্য করিতে অক্ষম হইয়া পড়ে।

কিন্তু এই ধাতব পদার্থগুলি জীবদেহের মধ্যে অতি সূক্ষ্ম মাত্রায় ও অতি সূক্ষ্ম পরিমাণে বিদ্যমান । পরীক্ষার দ্বারা দেখা গিয়াছে যে , একজন জীবিত মানুষের শরীরে জলীয় পদার্থ আছে শতকরা ৭০ ভাগ , ধাতব লবণ  ভাগ , এবং জান্তব লবন পদার্থ  অর্থাত শর্করা , চর্বি ও অণ্ডলালাদি আছে  মাত্র ২৫ ভাগ। জান্তুব   পদার্থগুলিই  চর্বি , অণ্ডলালা , জিলেটিন , কার্বনেট ও ফাইব্রিনরূপে  আমাদের দেহে থাকে । ধাতব লবণগুলির  অংশ যদিও কম , কিন্তু কার্যক্ষেত্রে ইহাদের ক্ষমতা অসীম । ইহারায় তাহাদের আনুপাতিক সামঞ্জস্য ও শৃঙ্খলার দ্বারা জান্তব   পদার্থগুলিকে কার্যকরী করিয়া তুলে।

Share this post

Leave a Reply

Your email address will not be published.