নিন্মলিখিত পর্যায়গুলো অনুসরণ করলে আপনার জীবনে আসবে উন্নতি ও সমৃদ্ধি

নিন্মলিখিত পর্যায়গুলো অনুসরণ করলে আপনার জীবনে আশবে উন্নতি ও সমৃদ্ধি

নিন্মলিখিত পর্যায়গুলো অনুসরণ করলে আপনার জীবনে আসবে উন্নতি ও সমৃদ্ধি

আপনি যেখানে থাকুন না কেন বাসা বা অফিসে সকলের সাথে সম্পর্কের জন্য নিন্মের বিষয় গুলি মেনে চলুনঃ

💠নিজেকে বড় করে দেখবেন না । অহংকার থেকে নিজেকে মুক্ত রাখুন । কারন ফুলের সৌরভ আর মানুষের গৌরব চিরদিন থাকেনা।
💠ভেবে চিন্তে কথা ব্লুন । অন্যথা আপনি বিপদে পড়তে পারেন।কথায় আছে, ‘ধনুকের তীর আর মুখের কথা একবার বেরিয়ে গেলে তা আর ফেরানো যায় না।
💠যে কোনো সমস্যায় খুব ভেবে চিন্তে সমাধান করার চেষ্টা করুন।বুঝে শুনে ও স্থান, কাল, পাত্র বিবেচনা করে কথা বলাটা জ্ঞানী ও বুদ্ধিমানের পরিচয় প্রকাশ করে। বেশি কথা বলার মানুষেরা অনেক সময় নিজেরাও সঠিক বুঝতে পারেন না তারা কী কথা বলছেন।
💠সমঝোতা করার মনোভাব রাখুন।পারস্পরিক আলাপ-আলোচনা তখনই সব সমস্যার শান্তিপূর্ণ সমাধান হয়, যখন উভয় পক্ষের মধ্যে সংলাপ বা সলাপরামর্শ, সত্য সন্ধান, বাস্তবতা অন্বেষণ ও তা প্রকাশ করার উদ্দেশ্যে সম্পন্ন হয়।
💠সমস্যার সময় মাথা ঠান্ডা রাখুন। অতিরিক্ত রাগ ভালো নয় । রাগলে পৃথিবী ওলটপালট করে দিতে পারার ক্ষমতা অনেকেই রাখে। এতে কার কী উপকার হয় জানা নেই। তবে যে ব্যক্তি রাগে, ক্ষতিটা তারই হয়।বাই দিয়ে থাকে ।
💠তর্ক করবেন না।কারণ আপনার ধারণা ঠিক নাও হতে পারে।জ্ঞানীরা বলেছেন, “তর্কে জেতা বুদ্ধিমানের কাজ নয়, তর্কে না জড়ানো বুদ্ধিমানের কাজ”।
💠মনের সংকীর্নতা পরিহার করুন।সংকীর্ণতা মানুষের অন্তরকে কলুষিত করে দেয় ।
💠সত্যতা যাচাই না করে কোনো কথা বলবেন না।ব্যক্তিগত ও সামাজিক জীবনে একটি বড় সমস্যা হলো, না জেনে কথা বলা, অমূলক সন্দেহ করা, আপনজনের কথা বাছ-বিচার ছাড়াই বিশ্বাস করা ইত্যাদি। এ ধরনের ভিত্তিহীন গুজব মানুষে মানুষে সম্পর্ক নষ্ট করে। তাই শোনা কথার সত্যতা যাচাই করা জরুরি।
💠নিজের মধ্যে কোনো অহংকার পোষা বন্ধ করুন। কারণ এটি আপনাকে অনুভব করতে দেয় না যে আপনি ভুল।
💠কখনো অতিরিক্ত আশা করবেন না।একজন নম্র বা বিনয়ী ব্যক্তি অতিরিক্ত আশা করেন না। তার সময়, শক্তি ও টাকাপয়সার যে একটা সীমা রয়েছে, তিনি তা স্বীকার করেন। আর তাই, রাতারাতি সব কিছু পরিবর্তন করার পরিবর্তে তিনি ধীরে ধীরে পদক্ষেপ নেন।
💠সকলের সাথে সব কথা আলাপ করবেন না। নিজের একান্ত ব্যক্তিগত মুহূর্তগুলিকে নিজের কাছেই রাখুন। অন্য লোক তাকে আপনার দুর্বলতা বলে মনে করতে পারে।
💠সত্যতা যাচাই না করে কোনো কথা বিশ্বাস করবেন না ।যাচাই না করে কোনো খবর প্রকাশ করা ও বিশ্বাস করা মিথ্যাবাদী হওয়ার নামান্তর।
💠ছোট খাট বিষয় নিয়ে বাড়াবাড়ি করবেন না
💠সবসময় মন খোলা রাখবেন এবং এক গুয়েমী মনোভাব পরিহার করবেন।
💠অপরকে ভুল বুঝার আগে নিজে ভাল করে বুঝুন।
💠ভদ্র আচরণ করুন এবং অপরকে সম্মান করুন
💠ব্যস্ততার মাঝেও সবার সাথে সউজন্যমুলক আচরণ করুন এবং মুখে হাসি হাসি ভাব বজায় রাখুন।
💠অপরের সামনে কারো সাথে রাগান্বিত ভাব দেখাবেননা।বুদ্ধিমানের রাগ কখনোই দেখা যায় না।
💠কারো সাথে সমস্যা হলে কথা বলে সমাধান করার চেষ্টা করুন।
💠সমস্যা হলে সমাধান করার জন্য আপনি এগিয়ে আসুন।
💠প্রয়োজনে কাউকে ধন্যবাদ দিতে ভুলবেন না,কারন সবাই ধন্যবাদ পেতে চায়। মনে রাখবেন, এটা উন্নতির প্রথম ধাপ। ধন্যবাদ জানানোই জীবনের সবচেয়ে বড় পুণ্য।

Share this post

Leave a Reply

Your email address will not be published.